বন্ধ্যাত্ব বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ টিপস

যেসব ফল গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকারক আনারস , পেঁপে , আঙ্গুর 

গর্ভাবস্থায় সময়ে এই নিয়ম গুলো মেনে চলুনঃ

  • ধূমপান / মাদক পরিহার করুন। 
  • হালকা এক্সারসাইজ করুন। 
  • শাক-সব্জি এবং ফল খান ৷
  • নিয়মিত পানি পান করুন৷

মানব দেহে ৭ ধরনের পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন:

 

  1. পানি
  2. ভিটামিন
  3. খনিজ লবণ
  4. ডায়েটারি ফাইবার
  5. শর্করা
  6. স্নেহপদার্থ
  7. আমিষ

৫ টি উপায়ে থাকুন চাপমুক্ত যা আপনার বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে! করবে

  • গান শোনা
  • নিয়মিত ব্যায়াম করা
  • বন্ধুদের সাথে দেখা করা 
  • নিজের শখ গুলো পূরণ করা
  • মেডিটেশন করা

সাধারণ যে কারণে ফ্যালোপিয়ান টিউব বা নল ব্লক হয় তা হল নলের ভিতরের আস্তরণে ক্ষত সৃষ্টির কারণে অথবা অস্বাভাবিক গঠনগত বৃদ্ধি যা নল বা টিউবের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, এর মধ্যে আছে: ফাইব্রয়েডস, ক্ল্যামাইডিয়া, গনোরিয়া, এনডোমেট্রিওসিস পূর্ববর্তী এক্টোপিক গর্ভাবস্থা বা পেটে কোন অপারেশন যা ফ্যালোপিয়ান টিউবগুলির সাথে জড়িত৷

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে তার প্রভাব চোখে পড়বেই।আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি। তাই গ্রন্থিগুলোর সক্রিয়তা যাতে অতিরিক্ত বা অতি সামান্য না হয় সেজন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদানের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সেখানে থাকতে হবে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ভোজ্য আঁশ৷ আর কমাতে হবে কার্বোহাইড্রেট এবং চিনির পরিমাণ। সেই সঙ্গে হরমোনের উৎপাদন বাড়াতে দরকার স্বাস্থ্যকর চর্বি৷ ‘ক্যাফেইন’ ও দুগ্ধজাত খাবার অতিরিক্ত গ্রহণ করলে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে৷ 

সবচেয়ে ভাল পরীক্ষা হল “বয়স”। বয়স বৃদ্ধি হলে, রিজার্ভ হ্রাস পাবে৷ এই হ্রাস ৩৫ বছর পর্যন্ত ধীরে এবং ৪০ বছরের পরে খুব যত ৪০ দ্রুত হয়৷ AMH-ও ডিম্বাশয়ের রিজার্ভ পরীক্ষার একটি পরীক্ষাটি সূচক। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হল এএফসি৷ এএফসি মানে ডিম্বাশয়গুলিতে দেখা যাওয়া ডিমের সংখ্যা৷ এই পরীক্ষা বেদনাদায়ক নয়৷ ডিম্বাণুর রিজার্ভ কম থাকলে, এএমএইচ এবং এএফসি উভয়ই হ্রাস পাবে।। কখনও কখনও, আমরা পিরিয়ডের সময় FSH পরীক্ষা করতে বলি। বেশি FSH এর অর্থ ডিম্বাশয় ভাল ভাবে কাজ করছে না।

গর্ভপাতের কয়েকটি কারণঃ 

১/মায়ের বয়স বেশি হলে, ৩৫ বছর এর নিচে ১৫%, ৩৫-৪০ এ ২০-৩০%, •৪৫ এ ৫০% গর্ভপাত হবার সম্ভাবনা থাকে। 

২/মায়ের গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কনট্রোলে না থাকলে 

৩/যার আগে গর্ভপাত হয়েছে তার আবারও হওয়ার ২৫% সম্ভাবনা থাকে।

 ৪/ হার্ট বা কিডনিতে সমস্যা থাকলে৷

 এএমএইচ (এন্টি মুলেরিয়ান হরমোন) হল ডিম্বাশয় দ্বারা নিঃসৃত একটি হরমোন। AMHNFERTILITY “ডিম্বাণুর রিজার্ভ” SOLUTION পরিমাপ করে। এটি একটি রক্ত পরীক্ষা দ্বারা চেক করা হয়। এই রক্ত যে কোন সময় পরীক্ষা করা যাবে।

ওভারিয়ান সিস্টকে অনেকে ক্যানসারের কারণ হিসেবে মনে করেন৷ ওভ্যুলেশনে তৈরী হওয়া এ সকল সিস্ট কোনো ক্রমেই ক্যান্সার নয়৷ এই সিস্ট গুলোকে বলা হয়ে ফাংশনাল সিস্ট বলা হয়ে থাকে। নারীর ওভারি কিংবা ডিম্বাশয় সিস্ট সাধারণত জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি যে কোনো সময় হতে পারে৷ সাধারণত ৫০ বছরের মধ্যেই বেশি হয়ে থাকে ওভারিয়ান সিস্টা ওভারিয়ান সিস্ট সৃষ্টি হওয়ার তিন থেকে দশ মাসের মধ্যেই নিজ থেকে ছোট হয়ে যায় I

বাচ্চা কনসিভ করতে চাইলে যেই বদ অভ্যাস গুলো দূর করতে হবে:

  • মেয়েদের খাদ্যাভ্যাস ঠিক করতে হবে ৷ ‘
  • ক্যালরি খাওয়া কমাতে হবে৷ 
  • ঘরে রান্না খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে৷ য়াম কর পাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। 
  • ব্যায়াম করতে হবে৷ শরীরের স্বাভাবিক ওজন রক্ষা করতে হবে। 
  • জীবনাচারণ পরিবর্তন করতে হবে। ক ওজন রক্ষা করতে হবে। 
  • দিনে ঘুমানো, রাতে জেগে থাকার মত অভ্যাস বদলাতে হবে৷ *বয়স থাকতে বাচ্চা নিতে হবে।

চিকিৎসার প্রধান উদ্দেশ্য হলো, রক্তপাত বন্ধ করা ও ইনফেকশন প্রতিহত করা৷ সাধারণত গভধারণের স্থায়িত্ব যত কম হয়, শরীর ততো তাড়াতাড়ি ফেটাল ম্যাটারিয়াল সব বের করে দেয়৷ তখন মেডিকেল প্রসিডিউর দরকার হয় না। যদি শরীর নিজে নিজে বের না করে, তখন D&C করতে হয়। এরপর বাসায় রক্তপাত মনিটর করতে হবে। যদি কাঁপুনি বা জড় আসে, তাহলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করবেন। 

ফাইব্রয়েড হলে ২৭ থেকে ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রেই কেবল এটি বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে উঠতে পারে, যদি নিচের ঘটনাগুলো ঘটে: ১. যদি ফাইব্রয়েডের কারণে জরায়ু অতিরিক্ত বড় হয়ে যায়। ২. জরায়ুর ভেতরের দেয়ালে রক্তনালির সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভ্রূণ ঠিকমতো বেড়ে উঠতে পারে না। ৩. জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের সংযোগস্থলে বা এমন কোনো জায়গায় টিউমারটির অবস্থান হয়, যা ভ্রূণকে সুস্থিত হতে বাধা দেয় । যাঁদের বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যা দেখা যাচ্ছে বা বারবার গর্ভপাত হচ্ছে, তাঁদের ফাইব্রয়েড থাকলেও বন্ধ্যাত্বের অন্য কারণগুলোকে শনাক্ত করা উচিত। কারণ, মূল সমস্যাটি ফাইব্রয়েড না-ও হতে পারে I

গর্ভধারণের প্রথম দিকে গর্ভপাত হওয়ার কারণসমূহঃ গর্ভধারণের প্রথম দিকে গর্ভপাত কেন হয় এটির সঠিক কারণ জানা যায় নি। তবে ধারণা করা হয়, বাচ্চার ক্রোমোজমাল এবনরমালিটির বা অস্বাভাবিকতার কারণে এটি হয়ে থাকে৷ আর ক্রোমোজমাল এবনরমালিটি হয় ডিম্বাণু অথবা শুক্রাণুতে কোনো সমস্যা থাকলে৷ এছাড়া হরমোনাল সমস্যা থাকলে, মায়ের ইনফেকশন থাকলে, অথবা মায়ের কোন অসুখ থাকলে, লাইফ স্টাইল (ধূমপান করা, ড্রাগ এডিক্টেড, পুষ্টিহীনতা, অতিরিক্ত ক্যাফেইন খাওয়া ইত্যাদি কারণে গর্ভপাত হতে পারে।

পিটুইটারি প্রলেকটিনোমা৷ গ্রন্থির টিউমার পিটুইটারির এমআরআই করে এটি শনাক্ত করা হয়। সাধারণ প্রলেকটিনোমা ওষুধেই চিকিৎসা করা যায়৷ টিউমার অনেক বড় হয়ে গেলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ব্যায়াম, থাইরয়েডের সমস্যা ইত্যাদি কারণেও এই হরমোন বেড়ে যেতে পারে৷ 

নতুন মায়েদের রক্তে প্রলেকটিন হরমোনের মাত্রা সবসময় অনেক বেশি থাকে। তাই বুকের দুধ পান করানো মায়েদের মাসিক বন্ধ থাকে বেশ কিছুদিন এটিকে প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ বলেও অভিহিত করা যায়৷ কারণ এই সময় নারীদের মাসিক হয় না, ডিম্বস্ফুটনও হয় না। ফলে এই সময়ে নতুন করে সন্তা ধারণের সম্ভাবনাও একদম কম থাকে। কিন্তু কিছু কারণে বুকের দুধ পান করানো মা ছাড়াও কোনো নারীর যদি প্রলেকটিন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, তবে তখনই বাধে বিপত্তি৷ সে ক্ষেত্রে সেই নারীর মাসিক বন্ধ বা অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে। ডিম্বস্ফুটন বন্ধ হওয়ার কারণে বন্ধ্যাত্ব্য ও দেখা দিতে পারে৷ স্তনে টনটনে ব্যথা হতে পারে, এমনকি নতুন মায়েদের মতো দুধ বা তরলও নিঃসৃত হতে পারে ।

যে কোন স্ট্রেসই শরীরের উপর নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট ফেলে৷ শরীরের চারপাশ থেকে নেগেটিভ ভাইভস দূর করতে ও চিন্তামুক্ত থাকতে রিল্যাক্সিং হাঁটা, সাঁতার কাটা, ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। স্ট্রেস ও স্পার্ম কাউন্টের সম্পর্ক রয়েছে। তাই যতটা সম্ভব অবসাদ, উদ্বেগ ও স্ট্রেস থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন৷

অসতর্ক ভাবে ওষুধ সেবনে বেড়ে যেতে পারে প্রোলেকটিন! প্রোলেকটিন হরমোন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো- নানা ধরনের ওষুধ সেবন। অল্প বয়সী তরুণী বা কিশোরীদের যে কোনো ওষুধ সেবনের আগে তাই যুক্তিযুক্ত কারণ থাকতে হবে৷ কারণ সাধারণভাবে ব্যবহৃত অনেক ওষুধই প্রলেকটিন হরমোন বাড়িয়ে দিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে।

গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মায়ের রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেড়ে গেলে তাকে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বলা হয়৷ এটি সাধারণত সন্তান প্রসবের পরে ঠিক হয়ে যায়৷ গর্ভাবস্থার যেকোনো ধাপে এই গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হতে পারে, তবে ২য় বা ৩য় ত্রৈমাসিকের (৪র্থ থেকে ৯ম মাসের) সময় এটি হওয়া বেশি কমন৷

ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে৷ এমনকি কিছু দিন বন্ধও থাকতে পারে। জরায়ুতে টিউমার ধরনের এক ধরনের বৃদ্ধি হলো ফাইব্রয়েডস৷ এগুলো পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রকে বাধা দিতে পারে৷ জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা, যেমন- পিল, প্যাঁচ, ইনজেকশন, আইইউডি৷ এগুলো ব্যবহার করলে পিরিয়ড দেরিতে হওয়া বা পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক৷

কিভাবে মহিলারা নিজেদের ওভুলেশনের লক্ষণগুলি বুঝতে পারবেন! এই সময়ে হওয়া হোয়াইট ডিসচার্জ বরাবরের থেকে আলাদা হয়৷ যোনি থেকে নিষ্কৃত হওয়া তরল এই সময় অনেকটাই ঘন হয়৷ এই সময়ে অনেক মহিলার শরীরের তাপমাত্রা মহিলার বৃদ্ধি পায়৷ কিছু ওভুলেশনের সময় তলপেটে হালকা ব্যথা হয় যা কয়েক মিনিট বা এমনকী কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ওভারিয়ান সিস্টকে অনেকে ক্যানসারের কারণ হিসেবে মনে করেন। ওভ্যুলেশনে তৈরী হওয়া এ সকল সিস্ট কোনো ক্রমেই ক্যান্সার নয়। এই সিস্ট গুলোকে ফাংশনাল সিস্ট বলা হয়ে থাকে। নারীর ওভারি কিংবা ডিম্বাশয় সিস্ট সাধারণত জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি যে কোনো সময় হতে পারে। সাধারণত ৫০ বছরের মধ্যেই বেশি হয়ে থাকে ওভারিয়ান সিস্ট। ওভারিয়ান সিস্ট সৃষ্টি হওয়ার তিন থেকে দশ মাসের মধ্যেই নিজ থেকে ছোট হয়ে যায় I

এটি একটি বা উভয় ফ্যালোপিয়ান টিউবের সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট একটি রোগ, যাকে জরায়ু টিউবও হাইড্রোসালপিনক্সে বলা হয়। আক্রান্ত মহিলাদের ক্ষেত্রে, জরায়ুকে ডিম্বাশয়ের সাথে সংযোগকারী টিউবটি তরল জমা হওয়ার সাথে ব্লক হয়ে যায়। তাই নিষিক্তকরণ অসম্ভব।ডিম্বাণু নষ্ট হয়ে যায় এবং শুক্রাণু ফিউশন জোনে পৌঁছাতে পারে না ।

 সিস্ট বলতে মূলত পানি ভর্তি থলিকে বোঝায়৷ এই থলিতে পরিষ্কার পানি, ঘোলা পানি, নোংরা বা সংক্রমিত পানি, রক্ত বা হলদে রঙের পানি থাকতে পারে৷ আবার পুরনো রক্ত বা খয়েরি রঙের পদার্থও থাকতে পারে৷ সাধারণ পানি থাকলে ঐ সিস্ট গুলিকে সিম্পল সিস্ট বলা হয়৷ অন্যদিকে রক্ত থাকলে সে ধরণের সিস্টকে হেমারেজিক সিস্ট বলে।

এস্থেনোজুস্পার্মিয়া (বা এস্থেনোস্পার্মিয়া) হল একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের সংজ্ঞা যার অর্থ হল শুক্রানুর কম গতিশীলতা। সম্পূর্ণ এস্থেনোজুস্পার্মিয়া হল সেই অবস্থা যেখানে বীর্যপাতের ১০০ শতাংশ শুক্রানুই হল অচল। এটি ৫০০০ পুরুষের মধ্যে ১ জনের দেখা যায় বলে জানা যায়৷ I

কিভাবে মহিলারা নিজেদের ওভুলেশনের লক্ষণগুলি বুঝতে পারবেন! এই সময়ে হওয়া হোয়াইট ডিসচার্জ বরাবরের থেকে আলাদা হয়। যোনি থেকে নিষ্কৃত হওয়া তরল এই সময় অনেকটাই ঘন হয়৷ এই সময়ে অনেক মহিলার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ কিছু মহিলার ওভুলেশনের সময় তলপেটে হালকা ব্যথা হয় যা কয়েক মিনিট বা এমনকী কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

গর্ভধারণ করতে চাইলে খাদ্য তালিকায় কি কি রাখা উচিত: গর্ভধারণ করতে চাইলে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ফল ও সবজি খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। নানা ধরনের ফল ও তরি তরকারিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিনস ও মিনারেলস রয়েছে। পালংশাক, ব্রকোলি, ছোলা, বাদাম, টক- জাতীয় ফল অবশ্যই আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন। খেয়াল রাখুন আপনার খাবারে যেন পর্যাপ্ত ভিটামিন বি থাকে।

গর্ভধারণ করতে না পারা, শরীরে পুরুষের মতো লোম, অনিয়মিত মাসিক ইত্যাদি বেশ কিছু সমস্যা হতে পারে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম থেকে৷ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগটি শরীরে আছে তা নির্ণিত হতে সময় লাগে৷ অথচ জীবনযাপনে সামান্য পরিবর্তন করলেই রোগটি যেসব অসুবিধা করে তা থেকে অনেক ক্ষেত্রে নিজেকে রক্ষা করা যায়৷ 

কোন উপসর্গ দেখা নাও দিতে পারে। কখনও কখনও নিম্নলিখিত উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে : ১/ জ্বর ২/তলপেটে ব্যথা থাকে ৷ ৩/অস্বাভাবিক স্রাব ৷ ৪/যৌন মিলনে অতিরিক্ত ব্যথা। ৫/ অনিয়মিত মাসিক ৷ ৬/মাসিকের সময় অস্বাভাবিক ব্লিডিং থাকা I

এখন দেশেই উন্নতমানের ১০০% হালাল IVF চিকিৎসা।

ডক্টর মোঃ রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া

( IVF Specialist 13 years of Experience)

এপয়েন্টমেন্ট নিতে কল করুন

× WhatsApp